শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

পাঞ্জশির উপত্যকা ঘিরে তালেবান ও বিদ্রোহীদের তীব্র লড়াই

ঢাকা

পাঞ্জশির উপত্যকা দখলে নিতে তালেবান ও বিদ্রোহী এনআরএফের যোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। শুক্রবার রাতে তালেবান দাবি করে, তারা পাঞ্জশিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

যদিও শনিবার বিদ্রোহীদের অন্যতম নেতা আমরুল্লাহ সালেহ এক ভিডিও বার্তায় তালেবানের দাবি অস্বীকার করেন।

তবে তালেবানের দাবি অস্বীকারে করলেও পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ বলে স্বীকার করেছেন বিদ্রোহী নেতা আমরুল্লাহ।

পাঞ্জশির উপত্যকা

বিজ্ঞাপন

বিবিসির সাংবাদিক ইয়ালদা হাকিম বলছেন, তালেবান ও বিদ্রোহীদের জন্য আগামী কয়েক সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সরকার ঘোষণার আগেই সালেহ বাহিনীকে ধ্বংস করতে চায় তালেবান।

কিন্তু অক্টোবরের শেষের দিকেও বিদ্রোহীদের দমন করতে না পারলে তালেবানকে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হতে হবে।

বিবিসির এই সাংবাদিক আরও বলেন, পাঞ্জশিরে বিদ্রোহী রেসিসট্যান্স ফ্রন্টও সময় নিয়ে খেলছে।

বিজ্ঞাপন

আগামী কয়েক সপ্তাহ তারা মাটি কামড়ে টিকে থাকতে পারলে নিজেদের সংগঠিত করতে আরও পাঁচ মাস সময় পাবে।

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নভেম্বরে আফগানিস্তানে তীব্র শীত শুরু হলে তালেবান বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে সক্ষম হবে না।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তালেবান সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। বিদেশি শক্তিগুলো তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইএর প্রধান ফাইজ হামেদ বর্তমানে কাবুলে অবস্থান করছেন।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, আফগান সেনাবাহিনী পুনর্গঠনে পাকিস্তান তালেবানকে সহায়তা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন এখন কাতারে অবস্থান করছেন।

যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে প্রধান মধ্যস্থকারীর ভূমিকা পালন করেছে।

তবে মার্কিনরা এখনই তালেবান নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্য শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বলেছে, তারা তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী তবে এখন স্বীকৃতি দিতে রাজি না।

কাবুল থেকে বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক করেসপন্ডেন্ট লিসা ডুসেট জানিয়েছেন, তালেবান তাদের মতো করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাচ্ছে।

পশ্চিমা বিশ্ব তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলে তারা চীন রাশিয়া এবং পাকিস্তানমুখী হবে।

বিজ্ঞাপন

থেকে আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন